আইপি টিভি ইন্টারনেট টিভি ইন্টারনেট প্রোটোকল টিভি ইন্টারনেট টেলিভিশন

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

জকের দিনে ক্যাবল টিভি অনেক জনপ্রিয় হলেও মাত্র কয়েক বছর আগ পর্যন্ত আমরা শুধু মাত্র ওভার-দ্যা-এয়ার ব্রডকাস্ট (বাড়ির ছাদে বা বাইরে একটি এন্টেনা লাগানো থাকতো, যেটা রেডিও সিগন্যাল ক্যাঁচ করতো এবং আপনার টিভিতে পিকচার এবং অডিও ট্র্যান্সমিট করতো) টিভির উপর নির্ভরশীল ছিলাম। ক্যাবল টিভি চালানোর জন্য একটি ক্যাবল এসে আপনার ঘরের টিভির সাথে যুক্ত হয় কিংবা সেট-টপ বক্সের সাথে লাগানো থাকে। আর এই ক্যাবলটি আসে আপনার বাড়ির পাশের কোন টিভি স্টেশন থেকে, যেখানে অনেক বড় বড় ডিশ এন্টেনা লাগিয়ে স্যাটেলাইট থেকে ব্রডকাস্ট সিগন্যাল গ্রহন করা হয়। ক্যাবল টিভিতে তো আপনি ইচ্ছা অনুসারে চ্যানেল পালটাতে পারেন, কিন্তু আপনি কোন প্রোগ্রাম কখন দেখবেন সেটা নিয়ন্ত্রন করতে পারেন না, যদি আপনি সেই প্রোগ্রামকে রেকর্ড করে না রাখেন। আপনি টিভিতে এই মুহূর্তে শুধু সেটাই দেখতে পাবেন, যেটা চ্যানেলটি এই মুহূর্তে ব্রডকাস্ট করছে। কিন্তু এটাতে কেমন হয়, আপনি যে প্রোগ্রাম যখন দেখতে ইচ্ছা করবেন, ঠিক তখনই দেখতে পারবেন? —আর এই ধারণার উপরই বর্তমানে আইপি টিভি (IPTV) (ইন্টারনেট প্রোটোকল টিভি, ইন্টারনেট টিভি, বা ইন্টারনেট টেলিভিশন) এর চাহিদা বেড়েই চলছে। এই আর্টিকেল থেকে আপনি জানতে পারবেন, এটি কিভাবে কাজ করে এবং কিভাবে এটি অন্যান্য টিভি থেকে আলাদা। তো চলুন শুরু করা যাক…

আইপি টিভি কি?

আইপি টিভি ইন্টারনেট টিভি ইন্টারনেট প্রোটোকল টিভি ইন্টারনেট টেলিভিশন

প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের বিনোদন গ্রহন করার পদ্ধতিও পরিবর্তিত হচ্ছে। রেডিও আসার পরে নিউজ পেপারকে চ্যালেঞ্জ করেছে, রেগুলার টিভি রেডিওকে চ্যালেঞ্জ করেছে এবং বর্তমানে রেগুলার টিভিকে আইপি টিভি বা ইন্টারনেট টিভি চ্যালেঞ্জ করছে। সাধারন ভাবে দেখতে গেলে ইন্টারনেট টেলিভিশন অনেক সহজ একটি ব্যাপার; এখানে টিভি প্রোগ্রামের ব্রডকাস্ট সিগন্যাল আপনার বাড়ির ছাদে লাগানো এন্টেনা, স্যাটেলাইট ডিশ, ফাইবার-অপটিক ক্যাবল দ্বারা না এসে, সিগন্যালকে আপনাকে ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে স্ট্রিমিং (একই সময়ে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড হয় এবং প্লে হয়) করতে হয়। অর্থাৎ এখানে কোন রেডিও সিগন্যালে অডিও ভিডিও না পাঠিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও ভিডিও সেন্ড করা হয়। আপনার ১০-১০০ মেগাবিট/প্রতি সেকেন্ডের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন পড়বে, যাতে আপনি স্মুথভাবে ইন্টারনেট প্রোগ্রাম গুলোকে প্লে করতে পারেন।

আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটারেও ইন্টারনেট টিভি উপভোগ করতে পারেন, আবার যদি বর্তমান টিভিকেই ইন্টারনেট টেলিভিশনে পরিণত করতে চান, তবে একটি আলাদা সেট-টপ বস প্রয়োজনীয় হবে, যেটা ইন্টারনেট থেকে আসা অডিও ভিডিও কে ডিকোড করবে এবং আপনার টিভিতে প্লে করার জন্য পাঠিয়ে দেবে। তবে বর্তমানে ডেডিকেটেড ইন্টারনেট টেলিভিশন পাওয়া যায়, যেখানে আলাদা কোন সেট-টপ বক্স লাগানোর প্রয়োজনীয়তা নেই।

তবে আসল দৃষ্টিকোন থেকে দেখতে গেলে, রেগুলার টেলিভিশন ব্রডকাস্ট থেকে আইপি টিভি ব্রডকাস্ট সিস্টেম অনেক জটিল। এক্ষেত্রে অবশ্যই বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন স্টোরেজ সিস্টেম থাকা প্রয়োজনীয়, যেখানে সকল প্রকারের ভিডিও গুলোর সংরক্ষিত থাকবে এবং ব্রডকাস্টারকে একটি ওয়েব স্টাইল ইন্টারফেস প্রদান করতে হবে যাতে সে ইচ্ছা মতো ভিডিওটি চয়েজ করতে পারে। একবার ভিউয়ার কোন প্রোগ্রাম নির্বাচন করার পরে ব্রডকাস্টারকে ভিডিওটি উপযুক্ত ফরম্যাটে এনকোড করার প্রয়োজন পড়বে যাতে ভিউয়ারের টিভিতে সেটি ডিকোড হয়ে প্লে হতে পারে। তাছাড়া ভিডিওটিকে সেন্ড করার সময় অবশ্যই এনক্রিপ্ট করা প্রয়োজনীয়, যাতে ঐ ভিডিওটির জন্য শুধু যিনি পে করেছেন, শুধু তিনিই যেন উপভোগ করতে পারেন।

আইপি টিভি কিভাবে কাজ করে?

ট্র্যাডিশনাল টিভি ব্রডকাস্ট করার জন্য প্রোগ্রামকে বেতার তরঙ্গে পরিণত করা হয় এবং একটি এন্টেনার মাধ্যমে বাতাসে ছুড়ে মারা হয়। আমাদের ঘরের ছাদে থাকা আরেকটি এন্টেনা সেই তরঙ্গকে ক্যাঁচ করে এবং তরঙ্গ থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যালে পরিণত করে এবং আপনার টিভি সেই সিগন্যাল থেকে অডিও এবং ভিডিওকে ডিকোড করে প্লে করে। কিন্তু ইন্টারনেট টিভি কিভাবে কাজ করে?

আপনি যদি কোন লাইভ টেলিকাস্ট দেখেন, তবে ভিডিওটি রেকর্ড এবং একই সময়ে ইন্টারনেটে সেন্ড করা হয়। কিন্তু আপনি যদি আগের কোন প্রোগ্রাম বা এপিসোড দেখেন বা যেকোনো ভিডিও দেখার ইচ্ছা করেন তবে সেটিকে বড় শক্তিশালী কম্পিউটারে (সার্ভার) স্টোর করে রাখার প্রয়োজন পড়ে। আর সার্ভারে অবশ্যই প্রোগ্রাম গুলোর ডিজিটাল ফরম্যাট সংরক্ষিত করতে হয়, কেনোনা ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার শুধু ডিজিটাল ফরম্যাটের উপর কাজ করে। এখনকার ক্যামেরা গুলো প্রায় সবই ডিজিটাল ফরম্যাটে রেকর্ড করে কিন্তু কোন প্রোগ্রাম যদি এনালগ রেকর্ড হয় তবে সেটাকে প্রথমে এনালগ টু ডিজিটাল কনভার্ট করে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ভিডিও কনভার্ট করার সময় একে কমপ্রেস (ভিডিও সাইজ কমিয়ে ফেলা হয়) করে নেওয়া হয় যাতে স্লো ইন্টারনেট কানেকশনেও বাফারিং ছাড়া ভিডিওটি চলতে পারে এবং সাথে ভিডিওটিকে উপযুক্ত ফরম্যাটে এনকোড করা হয়। বেশিরভাগ ভিডিওকে MPEG2 এবং MPEG4 ফরম্যাটে এনকোড করা হয়।

এরপরে ভিডিওটিকে কোন সার্ভারে সংরক্ষিত করা হয়। আপনার টিভি প্রথমে আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে সার্ভারের সাথে কানেক্টেড হয় এবং সার্ভার সফটওয়্যার টিভিকে ভিডিও ব্রাউজ করার সুবিধা প্রদান করে। একবার কোন ভিডিও চয়েজ করার পরে, সেই ভিডিওটিকে খণ্ডিত করে অজস্র প্যাকেট বানিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেন্ড করে দেওয়া হয়, সাধারন ওয়েব সার্ভার বা ফাইল ডাউনলোড সার্ভার থেকে স্ট্রিমিং সার্ভারকে বেশি শক্তিশালী হতে হয়—কেনোনা একই সময়ে হাজারো ইউজার একই ভিডিও বিভিন্ন অংশ থেকে প্লে করতে পারে, এবং প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা স্ট্রিমিং লিঙ্ক ওপেন করা প্রয়োজনীয় হয়। তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে, আপনি যে ইন্টারনেট টিভি চ্যানেলটি দেখতে চাচ্ছেন সেটা হতে পারে পৃথিবীর সম্পূর্ণ আরেক প্রান্তে, সেক্ষেত্রে আপনার কাছ পর্যন্ত ডাটা স্পীড স্লো হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য আইপি টিভি ব্রডকাস্টার’রা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (Content Delivery Networks) বা সিডিএন (CDNs)। সিডিএন এক প্রকারের সার্ভার, যেখানে মূল সার্ভারের হুবহু কপি সংরক্ষিত থাকে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এই সার্ভার নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে। ধরুন আপনি বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট টেলিভিশন দেখতে চাচ্ছেন, কিন্তু আপনার ব্রডকাস্ট সার্ভার রয়েছে অ্যামেরিকাতে। এখন তারা যদি সিডিএন ব্যবহার করে তবে আপনি পছন্দের ভিডিও ফাইল গুলো অ্যামেরিকা থেকে না পেয়ে পাবেন আপনার নিকটবর্তি এশিয়ান কোন সিডিএন থেকে, এতে ব্যান্ডউইথ স্পীড অনেক ভালো পাবেন, কেনোনা সার্ভার আপনার লোকেশন থেকে যতো কাছে থাকবে, সেখান থেকে ডাটা অ্যাক্সেসও ততোদ্রুত করা সম্ভব।

এবার ভিডিওটি আপনার টিভিতে প্লে হওয়ার পালা। ইন্টারনেট টিভি উপভোগ করার জন্য সাধারনত একটি সেট-টপ বক্স প্রয়োজনীয় হয়, যেমন- অ্যাপেল টিভি বক্স, বা অ্যামাজন টিভি বক্স ইত্যাদি। এই বক্সের সাথে ইথারনেট ক্যাবল বা ওয়াইফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেক্টেড করা থাকে এবং এটি ইন্টারনেট থেকে আসা ভিডিও ডাটা প্যাকেট গুলো রিসিভ করে এবং প্যাকেট গুলো একত্রিত করে আবার পুনরায় ভিডিও ফাইল তৈরি করে। বক্সের মধ্যে একটি ডিকোডার প্রোগ্রাম থাকে, যেটি ভিডিও ফরম্যাটকে ডিকোড করে এবং সেটা টিভিতে ট্র্যান্সমিট করে, আর পরিশেষে টিভি আপনার ভিডিওটি প্লে করে। ডেডিকেটেড ইন্টারনেট টিভিতে বক্স লাগে না, এর ভেতরেই সকল ভিডিও ডিকোড হয় এবং টিভিকে সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড করানোর প্রয়োজন হয়। আইপি টিভি সেট-টপ বক্সের সাথে সাথে এক ধরনের ইউএসবি ডংগল  পাওয়া যায়, যেটি আকারে কোন পেনড্রাইভের সমান এবং এটিও বক্সের মতো একই কাজ করে। কিন্তু সেট-টপ বক্স আকারে বড় হয়, এতে বেশি ভালো প্রসেসর লাগানো থাকে, সাথে বেশি মেমোরি থাকে, আর এটির ডিকোডার আরো ভালো কোয়ালিটির পিকচার দিতে সক্ষম।

ইন্টারনেট টিভি ‘র ধরণ

ট্র্যাডিশনাল টিভি থেকে ইন্টারনেট টেলিভিশনের বেশ কিছু বেশি সুবিধা রয়েছে। আপনি বিভিন্ন প্রকারের আইপি টিভি ধরণ পছন্দ করতে পারেন এবং উপভোগ করতে পারেন। প্রথম ধরণটির নাম হচ্ছে ভিডিও অন ডিম্যান্ড (Video on Demand) বা ভিওডি (VOD); যেমন- নেটফ্লিক্স বা হুলু এই ধরনের টিভি সেবা প্রদান করে। এখানে কোন অনুষ্ঠান বা প্রোগ্রাম এপিসোড গুলো প্লে-লিস্ট আকারে থাকে এবং আপনার পছন্দ করার জন্য সুবিশাল অপশন থাকে, প্রথমে আপনাকে এদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন নিতে হয় টাকা প্রদান করে তারপরে আপনি টিভি উপভোগ করতে পারেন। আপনি ভিওডিতে কোন প্রোগ্রাম যখন ইচ্ছা প্লে করতে পারেন, পজ করতে পারেন, আবার আপনার অপছন্দের অংশ গুলোকে স্কিপও করে দিতে পারেন, সবকিছুই  হবে আপনার ইচ্ছা অনুসারে।

আরেক ধরনের টিভি প্রভাইডার রয়েছে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারপ্রাইজ ক্যাবল টিভি চ্যানেল গুলো স্ট্রিমিং করতে সাহায্য করে। এখানে আপনি আইপি টিভি ব্যবহার করে আপনার পছন্দের সকল ক্যাবল টিভি চ্যানেল গুলো লাইভ দেখতে পারেন। কিন্তু ট্র্যাডিশনাল টিভি’র মতোই এখানেও আপনি শুধু চ্যানেল পরিবর্তন করতে পারবেন, কিন্তু আপনি সেটাই দেখতে পারবেন যেটা চ্যানেল ব্রডকাস্ট করছে। ভিওডি’র মতো পজ, ফরওয়ার্ড ইত্যাদি অপশন গুলো এখানে পাবেন না। এই ধরনের টিভি সেবাকে টাইম-সিফটেড আইপি টিভি বলা হয়।

আপনি যেকোনো ধরনের ইন্টারনেট টিভি সেবা সরাসরি কম্পিউটার থেকে, ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করে, অথবা ভালো কোয়ালিটি পাওয়ার জন্য সেট-টপ বক্স ব্যবহার করে উপভোগ করতে পারেন। আপনার যেভাবেই দেখুন না কেন, আপনার ইন্টারনেট কানেকশন থাকা প্রয়োজনীয়।

শেষ কথা

যদিও এখনো পর্যন্ত আইপি  টিভি একেবারে লেটেস্ট প্রযুক্তি, কিন্তু এর চাহিদা দিনদিন বেড়েই চলছে—কেনোনা বর্তমানে মোবাইলেও ইন্টারনেট টেলিভিশন প্রবেশ করে ফেলেছে। ইন্টারনেট অগ্রসরের সাথে সাথে ইন্টারনেট টিভিরও অগ্রসর ঘটবে বলেই আমি আশা রাখছি, তবে আমাদের দেশে আইপি টিভি জনপ্রিয় করতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ স্পীড বাড়াতে হবে, কানেকশনের পিং রেট কমাতে হবে, সাথে ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে ফেলতে হবে, তবে এদেশে ইন্টারনেট টিভির জন্য ভবিষ্যৎ তৈরি হতে পারে। তো আপনি কি ইন্টারনেট টিভি উপভোগ করেন, আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সকলের সাথে নিচে কমেন্ট করে শেয়ার করুণ।

আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে?

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রবেশ করিয়ে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন, যাতে আমি নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করার সাথে সাথে আপনি তা ইনবক্সে পেয়ে যান!

টেকহাবস কখনোই আপনার মেইলে স্প্যাম করবে না, এটি একটি প্রতিজ্ঞা!

Comments

  1. Oh! Bhai, abar ekti osadharon post. Great! ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤ Apni sotti Tech God. ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

  2. পোষ্ট পড়ার আগেই কমেন্ট… অসাধারণ…………………………………!!!!!!!!!!!!!!!!!!

    1. ভিপিএন ব্যবহার করে চালানো যায়, তবে পেইড ভিপিএন ব্যবহার করা ভালো। তাছাড়া আমি নিজে কখনো চালিয়ে দেখিনি… আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন।

  3. ওহ মাই গড! অসাধারণ বিশ্লেষণ ভাইয়া! আইপি টিভি টেলিভিশন দেখার পদ্ধতি পরিবর্তন করছে আর আপনি ব্লগ পড়ার অভিজ্ঞতাকে পরিবর্তন করছেন! লাভ ইউ সও মাচ ❤

  4. অসাধারণ।
    ভাই- রোবট, এআই, এমএল, নিউরাল নেটওয়ার্ক সবমিলিয়ে একটা পোষ্ট লিখেন। যেখানে সবকিছুর মধ্যের কানেক্সন বিস্তারিত বর্ণনা করবেন। অনেক ভালো হবে ভাই। অপেক্ষায় রইলাম 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *