সবচাইতে নিরাপদ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

ম্পিউটিং ডিভাইজের সিকিউরিটি বড় একটি ব্যাপার। এই ব্লগ থেকে আপনি নিশ্চয় অনেক সিকিউরিটি অনুশীলন সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। আজকের আর্টিকেলটিও সিকিউরিটি নিয়েই, কিন্তু একটু আলাদা দৃষ্টিতে ব্যাপারটিকে দেখার চেষ্টা করবো। আজ আলচনা করবো সবচাইতে নিরাপদ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে; আমরা ফোনকে নিরাপদ রাখতে তো অনেক সিকিউরিটি ব্যবস্থায় নেয়, তাই না? কিন্তু একটু এটা খতিয়ে দেখা যাক আমাদের মোবাইল নিজেই কতোটা সিকিউরিটি ফ্রেন্ডলি। ধরুন আপনি একটি চম্বুকের পাহাড় পাহারা দিচ্ছেন, যাতে সেখানে লোহা এসে না বেঁধে যায়, কিন্তু চম্বুক পাহাড় নিজেই যদি লোহাকে টেনে হিঁচড়ে আকর্ষণ করে তবে আপনি আর কতটুকু রক্ষা করতে পারবেন, তাই না?

এই আর্টিকেলে মূলত তিনটি সর্বাধিক জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করবো; অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ফোন, এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেম। এর আগে মোবাইল ফোনে এন্টিভাইরাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছি, তো চলুন আজকের আলোচনা শুরু করা যাক…

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম

প্রথমে কথা বলি সবচাইতে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে; যে অপারেটিং সিস্টেম যতোবেশি জনপ্রিয় আর সিকিউরিটি সমস্যা ততোবেশি। কিন্তু সমস্যা রয়েছে আরো অনেক বিষয়ের উপর—কেনোনা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম গুগলের হলেও, আপনার ফোনটি যদি স্যামসাং হয় কিংবা এলজি হয় তবে এর সিকিউরিটি দায়িত্ব স্যামসাং বা এলজির। ধরুন অ্যান্ড্রয়েড ললিপপে কোন সিকিউরিটি সমস্যা দেখা দিল এবং সমস্যাটি ফিক্স করার জন্য গুগল সিকিউরিটি প্যাঁচ রিলিজ করলো, এই প্যাঁচ সাথে সাথে গুগল ডিভাইজ গুলো পেয়ে যাবে কিন্তু আপনার স্যামসাং ফোনে কবে আপডেট আসবে সেটার দায়িত্ব স্যামসাং এর। যেমন  অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে এমন এক সিকিউরিটি সমস্যা ছিল, আপনার ফোনে কেউ সাধারন ম্যাসেজ সেন্ড করেই আপনার ফোনকে ম্যালওয়্যার দ্বারা অ্যাটাক করাতে পারতো। সাধারনত হয় কি, যখন আপনার ফোনে কোন মাল্টিমিডিয়া ম্যাসেজ আসে, সেটা আপনি ওপেন করার আগেই ফোন সেটাকে নেটওয়ার্ক থেকে নিয়ে নিজের মধ্যে লোড করে রাখে। এখন যদি কোন হ্যাকার কোন ম্যালিসিয়াস কোড দিয়ে আপনার ফোনে এমএমএস সেন্ড করে তবে সেটা আপনার ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রান হয়ে যাবে, আর এই পদ্ধতিতে যেকোনো ফোনই কোন ঝামেলা ছাড়ায় আক্রান্ত করানো সম্ভব।

শুধু গুগল নেক্সাস ডিভাইজ গুলোই ১০০% নিশ্চয়তা দেয় যে, এই সিকিউরিটি সমস্যা ফিক্স করা হয়েছে। কিন্তু আপনি যদি অন্যান্য কোম্পানির  অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন, তবে হতে পারে এখনো আপনার ফোনে এই সিকিউরিটি সমস্যা রয়েছে।

আবার আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম; অর্থাৎ এর সোর্স কোড যে কেউ দেখতে পারবে এবং মডিফাই করতে পারবে। হতে পারে কোন অত্যন্ত চালাক অ্যাপ ডেভেলপার অনেক কমপ্লেক্স সি প্রোগ্রাম বা কমপ্লেক্স জাভা দ্বারা কোন অ্যাপে ম্যালিসিয়াস কোড ইনজেক্ট করে রেখেদিল, যেটা ইউজার ডাটা স্পাই করবে এবং এই ধরনের অ্যাপকে সনাক্ত করা অনেক মুশকিল। ফল স্বরূপ, বর্তমানে প্লে স্টোরে অনেক জনপ্রিয় অ্যাপ থেকে ম্যালিসিয়াস কোড পাওয়া যাচ্ছে।

আবার আপনি যদি গুগল প্লে স্টোর ব্যতিত আলাদা সোর্স থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন তবে আপনার সিকিউরিটি নিয়ে কোন নিশ্চয়তা দেওয়া অসম্ভব। ক্র্যাক অ্যাপ, সাইড লোড অ্যাপ এগুলোতে ম্যালিসিয়াস কোড ইনজেক্ট করা থাকতে পারে, এমনকি অনেক ফেইক ব্যাংকিং অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ফেক লগইন ব্যবহার করে আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিতে পারে। আর আপনি যদি আপনার ব্যাংকিং অ্যাপ গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড না দিয়ে থাকেন, তবে আপনার অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম নিজের সিকিউরিটি রক্ষার্থে কিছুই করতে পারবে না।

উপরের ব্যাপার গুলো পড়ে একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হিসেবে আপনার ভালো না লাগারই কথা। তবে গুগল তার ডিভাইজ গুলো নিয়মিত আপডেট প্রদান করে এবং বিভিন্ন প্যাঁচ ফিক্স করে। তাই আমার মতে নেক্সাস, পিক্সেল; সিকিউরিটির দিক থেকে পারফেক্ট ডিভাইজ। আপনি যদি আলাদা কোম্পানির ডিভাইজ ব্যবহার করেন, তবে কোন প্রকারের আপডেট, বিশেষ করে সিকিউরিটি আপডেট আসার সাথে সাথে সেটাকে ইন্সটল করে নিন। মনে রাখবেন, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম যেমন আপনার কাছে প্রিয়, ঠিক তেমনি স্ক্যামার আর হ্যাকারের কাছেও প্রিয়।

উইন্ডোজ ফোন

উইন্ডোজ ফোন

উপরের সমস্যা গুলোর সাথে তুলনা করতে গেলে উইন্ডোজ ফোন চরম সিকিউর, এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক বেশি টাইট। কিন্তু কোন বিষয় গুলো উইন্ডোজ ফোনকে এতোবেশি নিরাপদ বানায় চলুন তার উপর আলোকপাত করা যাক।

এর সবচাইতে বড় কারণ হচ্ছে, উইন্ডোজ ফোনের অ্যাপ স্টোর অনেক বেশি টাইট এবং শিকলে বাঁধা, আপনার ফোনটি জেল ব্রেইক করা ছাড়া, ফোনে যেকোনো অ্যাপ অবশ্যই উইন্ডোজ স্টোর থেকেই ডাউনলোড করতে হবে। আপনি কোন তৃতীয়পক্ষ সোর্স থেকে অ্যাপ ইন্সটল করতে পারবেন না। যেহেতু শুধু বিশ্বস্ত সোর্স থেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করার সুবিধা পান, তাই অপারেটিং সিস্টেম ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। তাছাড়া উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেম স্যান্ড বক্স টেকনোলজি ব্যবহার করে; অর্থাৎ কোন অ্যাপ বাকী অপারেটিং সিস্টেমের কোন অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না যতোক্ষণ পর্যন্ত আপনি তার অনুমতি প্রদান না করবেন। কোন অ্যাপই এমন কোন সিস্টেম প্রসেস চালু করতে পারবে না, যেটা আপনার চোখে পড়বে না। তাই অ্যাপ কিছু করার চেষ্টা করলেও করতে পারবে না।

তবে এর মানে কিন্তু এটা নয় যে, উইন্ডোজ ফোনের অ্যাপে ভালনেরাবিলিটি থাকতে পারেনা। তবে উইন্ডোজ নিয়মিত আপডেট প্রদান করার মাধ্যমে সিকিউরিটি প্যাঁচ ফিক্স করে দেয়। তাই সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবশ্যই আপনাকে উইন্ডোজ ফোন আপডেটেড রাখতে হবে। ম্যানুয়ালি সেটিং থেকে আপডেট করে নিতে পারেন আবার চাইলে স্বয়ংক্রিয় আপডেটও চালু করতে পারেন। উইন্ডোজ ফোনের আরেকটি ভালো দিক হচ্ছে, এর ব্যবহারকারী অনেক কম। আর কম ব্যবহারকারী ওয়ালা ওএস হ্যাকার দ্বারা টার্গেট অনেক কম হয়, আর সেটা আপনার জন্য অনেক ভালো। উইন্ডোজ ফোন এজন্য আপনাকে বুক ফুলে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করে, আর সারা উইন্ডোজ স্টোর খুঁজলেও এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম পাওয়া যায় না—কেনোনা এর কোন প্রয়োজনীয়তায় নেই।

উইন্ডোজ ফোনের আরেকটি বিশেষ ফিচার হচ্ছে, ডিভাইজ এনক্রিপশন। আপনার ফোনটি হারিয়ে যাওয়ার পরেও আপনার ডাটা গুলো কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না। যদি কেউ সঠিক এনক্রিপশন কী প্রদান না করতে পারে, ডাটা গুলো কখনোই ডি-ক্রিপ্ট করা সম্ভব হবে না। সেটিংস থেকে আপনার ডিভাইজের জন্য সহজেই এনক্রিপশন চালু করতে পারেন।

আইওএস

আইওএস

জনপ্রিয়তার দিক থেকে অ্যাপেলের আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড এর পরেই। আইওএস’কে আনলক করা অসম্ভব, এই ধারণা আগে করা হলেও সেটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে, বছর খানেক আগে এফবিএই এবং অ্যাপেলের মধ্যে বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছিল একটি আইফোন সিকিউরিটি ক্র্যাক করার ব্যাপারে, (আপনি চাইলে আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন) অ্যাপেল তাদের ফোন আনলক করা নিয়ে মানা করে দিয়েছিল এফবিআই’কে। কিন্তু পরে এক হ্যাকার সেই আইফোনকে আরামে ক্র্যাক করে ১.৩ মিলিয়ন ডলার পেমেন্ট নিয়ে নেয়। এই ঘটনা এটাই প্রমান করে যে, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে কোন সিকিউরিটিই ১০০% দাবি করতে পারবে না সেটা ১০০% নিরাপদ।

গুগল প্লে স্টোরের মতো আইওএস’এর ও অ্যাপ স্টোর রয়েছে, যেখানে অ্যাপেল সকল অ্যাপ গুলোকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তবেই রাখে। আগে শুধু ধারণা করা হতো, জেইল ব্রেইক করা আইফোনই ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে, কিন্তু বর্তমানে অ্যাপ স্টোরে কিছু চাইনিজ অ্যাপ থেকে ম্যালওয়্যার পাওয়া গেছে। তাই বলতে পারেন, আপনি যতোটা ভেবেছিলেন, অ্যাপেল ততোটা সিকিউরিটি সচেতন নয়। কিন্তু অ্যাপেল অ্যান্ড্রয়েডের মতো ওপেন সোর্স নয়, এটি ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেম এবং সাথে স্যান্ড বক্স টেকনোলজি রয়েছে; অর্থাৎ কোন অ্যাপ আপনার পারমিশন ছাড়া অপারেটিং সিস্টেমের নির্দিষ্ট কিছু অ্যাক্সেস করতে পারবে না। তাছাড়া আইওএস এর এনক্রিপশন ক্র্যাক করা অনেক বেশি শক্ত, যদিও ক্র্যাক করা সম্ভব তারপরেও যেমন তেমন হ্যাকার ক্র্যাক করতে পারবে না। তবে এটা মানতেই হবে, অ্যাপেল আপনার গোপনীয়তার বিশেষ কদর করে, এরা আপনার অনুমতি ছাড়া কোন ডাটায় অ্যাক্সেস করে না।

তাহলে কে সেরা?

প্রত্যেক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমেরই কিছু অসুবিধা এবং কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে। এখানে সরাসরি কাওকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। যদি আপনি প্লে স্টোর ছাড়া অ্যাপ ডাউনলোড না করেন এবং ফোনকে নিয়মিত আপডেট রাখেন তবে অ্যান্ড্রয়েড ও ঠিকঠাক নিরাপদে কাজ করবে। উইন্ডোজ ফোনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে হয়তো এর হ্যাক অ্যাটাক বাড়তে পারে, কিন্তু বর্তমানে লক্ষ্য করতে গেলে এটি সবচাইতে নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম। আইওএস জেল ব্রেইক ছাড়া ব্যবহার এবং নিয়মিত আপডেট গ্রহনে আপনাকে নিরাপদ করতে পারে। এমনিতে অ্যাপেল তাদের অ্যাপ স্টোর নিয়ে অনেক সচেতন, তাই তাদের বিশ্বাস করা যায়।

শেষ কথা

আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনার অনেক বেশি ভালো লেগেছে, আপনি বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে অনেক কিছু জানতে পাড়লেন। তো আপনি কোন মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কে সবচাইতে বেশি বিশ্বাস করেন এবং কেন করেন, নিচে আপনার মতামত কমেন্ট করে আমাদের সাথে শেয়ার করুণ।

আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে?

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রবেশ করিয়ে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন, যাতে আমি নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করার সাথে সাথে আপনি তা ইনবক্সে পেয়ে যান!

টেকহাবস কখনোই আপনার মেইলে স্প্যাম করবে না, এটি একটি প্রতিজ্ঞা!

Comments

  1. Awesomeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeee bhai!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
    Love U sooooooooooooooooooooooooooooooooooooooooooooo much
    ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

  2. Bhai ekta abdaar ache. Emon kono upay ache ki jate ami amar PC te amar absence e ki ki use koreche tar in depth details peye jabo? Se jate na bujhte na pare…. (Event Viewer na, ota baad diye). Aar eta jodi kono software diye hoy then ota jeno password protected thake.
    Aar ekta abdaar holo without using any software ami ki kore amar PC er je kono folder lock korbo with password? Folder hide na korleo hobe….
    Plssssssssssssssssssssssssssssssssss bhai ami jani apni parben plsssssssssssssss janaben. Apnar vorsai thaklam. Post er jonno ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

  3. অনলাইনে অনেক অ্যাকটিভিটি মনিটর সফটওয়্যার আছে, চেক করে দেখতে পারেন; আপনার প্রত্যাশা পূরণ হয়েও যেতে পারে। সার্চ করুণ আর চেষ্টা করে দেখুন, যদি ভালো সফটওয়্যার না খুঁজে পান, তখন আমি তো আছি। আর ইভেন্ট ভিউয়ারের কোন ভরসা নেই, কেনোনা সেটা সর্বদা ডিলিট করা সম্ভব।
    ফোল্ডার লক করার চাইতে এনক্রিপ্ট করা বেশি ভালো। একটি ছোট খাটো ড্রাইভ বানিয়ে ফেলুন, সেখানে সকল গোপন ফাইল গুলো স্টোর করুণ আর বিট লকার দিয়ে এনক্রিপ্টেড করিয়ে রাখুন। তবে ভেরাক্রিপ্ট ব্যবহার করেও ফোল্ডার এনক্রিপশন করানো যায়, চেক করে দেখুন।
    আর এমনিতে সফটওয়্যার ছাড়া পাসওয়ার্ড লাগানোর বুদ্ধি আছে ব্যাট সিকিউরিটি একটুও নেই। তবে আপনি কি ধরনের পার্সনের কাছ থেকে আপনার ফাইল গুলো সুরক্ষিত করতে চাচ্ছেন সেটাও একটা প্রশ্ন।

    1. Amader Office e amar PC te use korbo & amar bari teo use korbo. Then suggest pls. Love U bhai. Ur answer is oxygen for us.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *