স্মার্টফোন আপগ্রেড

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

পনার ফোন পুরাতন হয়েছে গেছে? আজকাল পিঁপড়ার ডিমের মতো বাজারে নতুন ফোন আসছে, আপনি কি চিন্তিত, আপনার ফোনটি আপগ্রেড করবেন কিনা তা নিয়ে? দেখুন বিষয়টি প্রত্যেকের জন্য আলাদা, সুতরাং আমি আজ ৩টি আসল ফ্যাক্টর নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি—যা দ্বারা আপনার সহজেই আন্দাজ করা সম্ভব হবে, আপনার বর্তমান স্মার্টফোন আপগ্রেড করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কিনা বা কখন আপনার নতুন স্মার্টফোন কেনা উচিৎ? আবার আপনি হয়তো নতুন ফোন গুলো খতিয়ে দেখার জন্য গুগল করলেন এবং সকল লেটেস্ট ফোন গুলোর লিস্ট পেয়ে গেলেন। কিন্তু আপনার মন মতো ফিচার কোনটাতেই পাওয়া গেলো না, তবে কি আপনার আরো অপেক্ষা করা উচিৎ? তো চলুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক…

#ক্রয়ক্ষমতা

স্মার্টফোন ক্রয়সবচেয়ে প্রথমের পয়েন্ট হলো আপনার ক্রয়ক্ষমতা, কারণ যখন নতুন ফোন কেনার জন্য আপনার কাছে পর্যাপ্ত সামর্থই থাকবে না, আপনি কীভাবে কিনবেন? ধরুন আপনার ব্যাংকে লাখ লাখ টাকা পড়ে রয়েছে এবং খরচ করার কোন যায়গা নেই, তো আমি বলবো আপনি চাইলে প্রতি সপ্তাহে নতুন ফোন কিনতে পারেন। কিন্তু আপনার যদি যথেষ্ট টাকা না থাকে নতুন প্রযুক্তির উপর খরচ করার জন্য তবে আপনাকে অবশ্যই অনেক বিষয় বিবেচনা করে স্মার্টফোন আপগ্রেড করার প্রয়োজন পড়বে। প্রযুক্তি প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হচ্ছে, সামনে চলে আসছে নতুন এবং অসাধারণ সব টেকনোলজি—তবে এটা কিন্তু মোটেও জরুরী নয় আপনার সব টেকনোলজির উপর টাকা খরচ করতে হবে এবং সেই নতুন টেক আপনার জন্যও উপযুক্ত হবে।

ধরুন বর্তমানে আমাদের দেশে ৩জি পর্যন্ত মোবাইল সেবা রয়েছে এবং হতে পারে খুব দ্রুত ৪জি সেবাও চলে আসবে। কিন্তু আপনি যদি একজন সাধারন ব্যবহারকারী হোন, মোবাইল ফোনে শুধু ইমেইল চেক বা সাধারন ইন্টারনেট ব্রাউজিং করেন তবে ৪জি আপনার কোন কাজেরই না। তাই ৪জির জন্য টাকা খরচ করে স্মার্টফোন আপগ্রেড করার কোন প্রয়োজনীয়তাই নেই। স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিগন আপনার জন্য প্রত্যেক বছর তেমন মেজর কোন আপডেট আনতে পারে না, হয়তো হালকা উন্নতি এনেই নতুন ভার্সনের ফোন রিলিজ করে। এই অবস্থায় আপনার ক্রয়ক্ষমতা এবং আপনি আপনার ফোনে সত্যিই কোন ফিচার চাচ্ছেন সেই বিষয়ে নজর রেখে নতুন ফোন কেনা উচিৎ।

#নতুন ফিচার

স্মার্টফোন ফিচারএই পয়েন্টটি প্রায় কমবেশি সকলের জন্য প্রযোজ্য। আপনি হয়তো লক্ষ্য করছেন নেক্সট ফোনে ওয়্যারলেস চার্জিং ফিচার যুক্ত হতে চলেছে বা নেক্সট ফোনে বডারলেস ডিসপ্লে লাগানো রয়েছে—আর আপনি যদি সত্যিই এই ফিচার গুলোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তবে অবশ্যই নিঃসন্দেহে নতুন ফোন কিনে ফেলুন।  যদি দেখেন আর বর্তমান ফোনের সাথে নতুন ফোনের তেমন বিশেষ কোন ফিচার উন্নতি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, তবে নতুন ফোন কেনাটা বেকার হতে পারে।

আবার এখানে আরেকটি ব্যাপার রয়েছে। ধরুন আপনার বর্তমান ফোনে ওয়্যারলেস চার্জিং নেই কিন্তু আপনি ওয়্যারলেস চার্জিং ফিচার পাওয়ার জন্যই শুধু নতুন ফোন কিনতে চাচ্ছেন কিন্তু আপনি সবসময়ই জানেন যে নতুন প্রযুক্তি উপভোগ করতে একটু বেশিই টাকা খরচ করতে হয়। আর আপনার কাছে যদি বর্তমানে পর্যাপ্ত টাকা না থাকে খরচ করার জন্য তবে আপনি কয়েক মাস অপেক্ষা করতে পারেন। কেনোনা কয়েক মাস বা ১ বছর পরে আবার নিশ্চয় নতুন প্রযুক্তি সামনে আসবে এবং পুরাতন প্রযুক্তির দাম কমে যাবে। আবার এমনটাও না, যে বর্তমান নতুন ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি কয়েকমাস আগের প্রযুক্তিকে সম্পূর্ণ রিপ্লেস করে দিয়েছে। হয়তো কিছু উন্নতি আনতে পারে, তবে প্রযুক্তি একই থাকবে। সুতরাং মাত্র কয়েক মাস অপেক্ষা করে আপনার সামর্থের মধ্যে আরামে আপনার পছন্দের ফিচার মিশিয়ে একটি ফোন কিনতে পারবেন।

#বর্তমান ফোনের পারফর্মেন্স

বর্তমান ফোনের পারফর্মেন্সবর্তমান স্মার্টফোন আপগ্রেড করার আরেকটি প্রধান কারণ হতে পারে কারেন্ট ফোনের পারফর্মেন্স। ধরুন আপনার ফোনটি কয়েক বছর পূর্বে কিনেছিলেন এবং আর আগের মতো মোটেও পারফর্মেন্স পাচ্ছেন না—আর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। ধরুন আপনি নতুন অপারেটিং সিস্টেমে ফোনটিকে আপগ্রেড করেছেন আর স্বাভাবিক ভাবেই নতুন অপারেটিং সিস্টেম আগের তুলনায় বেশি প্রসেসিং পাওয়ার ক্ষয় করবে। আবার হতে পারে নতুন অপারেটিং সিস্টেম আপনার বর্তমান পুরাতন ফোনের সাথে ঠিকঠাক অপটিমাইজ নাও করতে পারে। আর এভাবে আপডেট করতে করতে আপনার ফোন স্লোয়ার থেকে স্লোয়েস্ট হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া নতুন অ্যাপস আপডেটও আপনার ফোনের পারফর্মেন্স স্লো করে দিতে পারে, কারণ নতুন ভার্সনে বেশি র‍্যাম প্রয়োজনীয় আর বেশি প্রসেসিং পাওয়ার ক্ষয় হয়।

আবার আপনি যদি আপনার ফোন সম্পূর্ণ ফরম্যাট করে প্রথমের মতো করার চেষ্টা করেন তারপরেও আপনার ফোন আগের অবস্থায় ফেরত আসবে না, কেনোনা ফ্ল্যাশ মেমোরি বারবার ব্যবহার হওয়ার পরে এর পারফর্মেন্স ডিগ্রেট হয়ে যায়। সাথে আপনার পুরাতন ফোনের প্রসেসিং স্পীড ডিগ্রেট হতে পারে এবং অবশ্যই ব্যাটারি লাইফ ডিগ্রেট হতে পারে। ব্যাটারি বারবার চার্জ করার ফলে এর পারফর্মেন্স লোপ পায় এবং চার্জ অভ্যাসের সমস্যার জন্য ব্যাটারি লাইফ কমে যায়। তবে আপনি স্মার্টফোন ব্যাটারির যত্ন নিয়ে পোস্টটি পড়ে চার্জ অভ্যাস ঠিক করতে পারেন।

সিদ্ধান্ত?

তো এই ৩টি বিষয়ের উপর লক্ষ্য রেখে আপনি নিশ্চয় মুটামুটি ভালো এক ধরনের আইডিয়া করতে পারছেন, যে কখন স্মার্টফোন আপগ্রেড করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং কখন নেই। আবার আপনি মিড বাজেটের ফোনও কিনতে পারেন যাতে ঘনঘন নতুন ফোন কিনতে পারেন। আগেই বলেছি, আপনার কাছে যদি যথেষ্ট বা তারচেয়েও বেশি টাকা থাকে তবে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে যেকোনো সময় নতুন ফোন কিনতে পারেন আর যদি টাকার সমস্যা হয় তবে অবশ্যই এটি চিন্তার ব্যাপার।

আপনি অবশ্যই জানেন আপনার বাজেট কতো এবং ঠিক কোন ফিচারের জন্য আপনি নতুন ফোন কিনতে চান। আবার আরেকটি বিষয় থাকে, যেমন অনেক স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী কোম্পানি পুরাতন ফোন গুলোকে কয়েক বছর পরে ওএস আপডেট দেওয়া বন্ধ করে দেয়। আর আপনি যদি সত্যিই নতুন ভার্সন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চান তবে এটিও একটি প্রধান কারণ হতে পারে।

স্মার্টফোন কোম্পানি গুলো প্রতি বছর হালকা পাতলা দুই একটা ফিচার নিয়ে এসে বড় বড় এড দেখিয়ে বলে “আমাদের এবারের নতুন স্মার্টফোন গেম চেঞ্জ করতে চলেছে”—আসলে এগুলো এক ধরনের মার্কেটিং টার্ম ছাড়া আর কিছুই নয়। স্মার্টফোন কোম্পানিরা চায় আপনি প্রত্যেক বছর নতুন ফোন কেনেন, কিন্তু সেটা সত্যিই প্রয়োজনীয় না। বেশিরভাগ সময়ই নতুন স্মার্টফোনে এমন কোন ফিচার থাকে না যেটা সত্যিই গেম চেঞ্জ করতে সক্ষম। হতে পারে এবারের ফোনে তারা ভালো ক্যামেরা লাগিয়েছে বা বেশি মেগাপিক্সেল লাগিয়েছে বা ৪কে ভিডিও রেকর্ড করার ফিচার দিয়েছে। কিন্তু এগুলো কি ব্যস্তব লাইফে সত্যিই কোন ইফেক্ট ফেলে? আপনি কি ফোন দিয়ে ফটো উঠানোর সময় চিন্তা করেন, “ইস আমার ফোনের ক্যামেরা তো ১২ মেগাপিক্সেল! যদি ১৬/২০ মেগাপিক্সেল হতো তবে কতই না ভালো হতো!”? এগুলো ব্যাপার কখনোই ম্যাটার করে না, আমরা জাস্ট ফোন ক্যামেরা ওপেন করি, কোন মুহূর্ত ভালো লাগলে সেটা ক্যাপচার করে রাখি, ব্যাস।

এবার যদি দেখি পারফর্মেন্সের কথা, নতুন ফোনে কোম্পানিরা বলে থাকে, “এবার উমুক সিপিইউ লাগানো হয়েছে, এতো কোরের প্রসেসর, এতো জিবি র‍্যাম, আগের চেয়ে ২০% পারফর্মেন্স উন্নতি করা হয়েছে” সত্যিই? মানে একজন সাধারন ইউজারের কাছে কি সত্যিই এসব টার্মের কোন মূল্য রয়েছে? আপনার ফোনটি যদি ১ বছর পূর্বের হয়ে থাকে তবে এতো এতোটাও পারফর্মেন্স ঘাটতি দেখতে পাওয়া যাবে না, তবে যদি কয়েক বছরের পুরাতন ফোন হয় সেখানে পারফর্মেন্স কমতি বোঝা যেতে পারে। আর আপনি যতো ফাস্ট ফোনই কিনুন না কেন, একসময় সেটাও স্লো হয়ে পড়বে ব্যাবহারের সাথে সাথে। সুতরাং আপনার বর্তমান ফোন যদি ঠিকঠাক পারফর্মেন্স প্রদান করে তবে কেন এই অঝথা টাকা খরচ?

তবে এমন কিছু কিলার ফিচার আপনার মস্তিষ্কে থাকতে পারে যেগুলো পাওয়ার জন্য আপনি ফোন আপগ্রেড করার জন্য উথলা হয়ে পড়তে পারেন। যেমন ধরুন ফিঙ্গার প্রিন্ট রীডার। আপনার পুরাতন ফোনে হয়তো ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর নেই, সেক্ষেত্রে শুধু এই ফিচার পাওয়ার জন্য আপনি নতুন ফোন কিনতে পারেন। আবার হতে পারে আমার বর্তমান ফোন ব্যবহার করার সময় সীমা বেড়েছে তাই আপনার আরো বেশি ব্যাটারির ফোন প্রয়োজন, ঠিকআছে এটি একটি কারণ হতে পারে। আবার ধরুন আপনি সামুদ্রিক এলাকায় বসবাস করেন তবে সেই ক্ষেত্রে ওয়াটার প্রুফ ফোনের দিকে দেখতে পারেন, হতে পারে এটি একটি কারন। তবে এর আগে ওয়াটার প্রুফ ফোনের সত্যতা জানতে এই পোস্টটি পড়ে নিতে পারেন।

শেষ কথা

আপনার বর্তমান ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখুন অ্যা ভাবুন এটি কি আপনার চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে? যদি না তবে অবশ্যই নতুন ফোন কেনার কথা চিন্তা করতে পারেন। আজ যদি বর্তমান ফোন থেকে আপনি সন্তুষ্ট হন তবে নতুন ফোন কেনার কোন যুক্তি নেই (কোটিপতি না হলে!)। তো আশা করছি এতক্ষণে আপনি আমার উল্লেখ্য সকল পয়েন্ট গুলো বুঝতে পেড়েছেন এবং আপনি অবশ্যই এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তো আপনার কি নতুন স্মার্টফোন আপগ্রেড করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? কেন করতে চান? —নিচে কমেন্ট সেকশনে আমাদের সাথে আলোচনা করুন।

আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে?

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রবেশ করিয়ে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন, যাতে আমি নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করার সাথে সাথে আপনি তা ইনবক্সে পেয়ে যান!

টেকহাবস কখনোই আপনার মেইলে স্প্যাম করবে না, এটি একটি প্রতিজ্ঞা!

Comments

  1. আমি নেক্সাস ৫এক্স ব্যবহার করছি। আর এখনো এই ফোন আমার সকল চাহিদা মেটাতে সক্ষম.. আপনার লেখার অনেক যুক্তি রয়েছে। অনেকের খুব উপকারে আসবে।
    অসংখ্য ধইন্যা..

  2. আমি ২০১০ এর পর থেকে আইফোন ব্যবহার করে আসছি। পাশাপাশি এন্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনও ছিল। এখন আইফোন এসই এবং নকিয়া লুমিয়া ৯২৬ ব্যবহার করছি। লুমিয়া টা পুরাতন হলেও কিন্তু পার্ফরমেন্স ভালোই দিচ্ছে। তবে ফটো এবং ভিডিওর জন্য ব্যবহার করা আর কি। আমার মতে এখন ফোন আপগ্রেড করা ঠিক হবে না। কারণ হচ্ছে- এখন নতুন কোন ইনোভেটিভ টেকনোলজি আসে নি। শুধু বাড়তেছে জিবি, এমবি, ইঞ্চি আর কিছু না। ওয়ারলেস চার্জিং আমার লুমিয়া ৯২৫ এ বিদ্যমান আছে। এবং সেটা নতুন কোন প্রযুক্তি না। তবে বেশিরভাগ প্রযুক্তিবিদ রা আশা করছেন এই বছরে নতুন কোন ইনোভেটিভ প্রযুক্তি নিয়ে আসার। যেমন- ফ্রিডম ওয়ারল্যাস ইলেকট্রিসিটি সিস্টেম, নতুন প্রযুক্তির ব্যাটারী যা অনেক বেশি ক্ষমতা এবং সহনশীল হবে, ফ্লেক্সিবল স্মার্টফোন, ৫জি এবং আরো অনেক।

    1. ঠিক বলেছেন, স্মার্টফোনের যে নতুন কোন উন্নতি আসছে না এই ব্যাপারে আমি আগেই এক আর্টিকেলে আলোচনা করেছি। আমি প্রাইমারী ডিভাইজ হিসেবে লুমিয়া ইউজ করি এবং সেকেন্ডারি হিসেবে হনর ৬এক্স ব্যবহার করি। আমার চাহিদা মেটাতে এই ডিভাইজ গুলো অনেক ভালো পারফর্মেন্স দেয়। আইফোন কখনো ব্যবহার করিনি, আর ব্যবহার করার ইচ্ছাও জাগেনা।

      তবে আশা করা যায় স্মার্টফোন জগতে খুব শীঘ্রই তুলনামূলক পরিবর্তন আসবে। আর না হলে স্মার্টফোন প্রজন্ম এগবে না!

      ধন্যবাদ 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *