র্তমানে প্রযুক্তি দিন দিন আরোবেশি উন্নতি প্রাপ্ত হচ্ছে। সকল টেক আজ মডার্ন টেকে পরিনত হয়েছে। সাথে টিভি’র প্রযুক্তিতেও এসেছে নজরকারা পরিবর্তন। কিন্তু একটা কথা আছে, প্রযুক্তি আগের চেয়ে উন্নত হয়ে গেছে এর মানে এটা নয় যে সেটা আপনার জন্যও ১০০% কাজের হবে। অনেক সময় জাস্ট আগের জিনিষই আমাদের সকল চাহিদা মিটাতে সক্ষম থাকে, তাহলে কেন বাড়তি টাকা খরচ করা? যাই হোক, এই আর্টিকেলে আমি ৩ডি টিভি কেনা উচিৎ কিনা সে বিষয়ে তেমন কথা বলবো না, কিন্তু আলোচনা করবো ৩ডি টিভি কেনার পূর্বে আপনার কোন কোন বিষয়ের উপর ধ্যান রাখা প্রয়োজনীয়। আর হ্যাঁ, অবশ্যই এর সুবিধা অসুবিধা গুলো নিয়েও আলোচনা করবো।

৩ডি টিভি

৩ডি শব্দটা আমাদের কাছে নতুন কিছু না হলেও, যখন কথা বলা হবে ৩ডি টিভি নিয়ে, তো এই টেকনোলজি এখনো উন্নতির পথে। যদিও আজকের দিনে ৩ডি টেকনোলজি’র প্রোজেক্টর, টিভি, স্মার্টফোন অনেক অত্যাধুনিক সিনেমা এক্সপেরিএন্স দিয়ে থাকে, যেটা আপনি আগে কল্পনাও করতে পারতেন না। কিন্তু সত্য কথা বলতে ৩ডি টিভি এখন আর তেমন ট্রেন্ড বিষয় নেই। অনেক টিভি প্রস্তুতকারী কোম্পানি গুলো তো ৩ডি টিভি তৈরি করায় বন্ধ করে দিয়েছে, এখন ৪কে টিভি, এইচডিআর টিভি‘র দিকে কনজিউমার এবং কোম্পানি উভয়ই উঠে পড়ে লেগেছে। যাই হোক, এখনো বাজারে অনেক ৩ডি টিভি রয়েছে, আর এর মধ্যে আপনি যদি এরকম কোন একটি টিভি কিনে ৩ডি এক্সপেরিয়েন্স নেওয়ার কথা চিন্তা করেন, তো আপনাকে নিচের বিষয় গুলো ভেবে চিনতে দেখতে হবে।

৩ডি টিভি

আরো বিস্তারিত আর্টিকেলে প্রবেশের পূর্বে ৩ডি টিভি কি সেটা সম্পর্কে একটু আলোচনা করে নেওয়া যাক, না হলে আর্টিকেলটি অসম্পূর্ণ মনে হবে। ৩ডি ডিসপ্লে মূলত আলদা ডাইমেন্সনের ইমেইজ তৈরি করে, যেগুলোকে যখন আপনি এক অ্যাঙ্গেল থেকে দেখবেন, সেটা আপনার চোখে ভেলকির মতো কাজ করে। ডিসপ্লে বিভিন্ন ইমেজের গভীরতা এবং এক ইমেজ থেকে আরেক ইমেজের দূরত্ব বোঝার জন্য রেড-ব্লু কালারের ইমেজ তৈরি করা হয়। আর এই ইমেজ গুলোর গভীরতা ঠিকঠাক মতো আপনার চোখ ক্যাপচার করার জন্য এক বিশেষ চশমা পরিধান করা প্রয়োজনীয় হয়। এই চশমা পরিধান করার পরে আপনার চোখ মস্তিষ্ককে ধোঁকা দিতে আরম্ভ করে, চোখ স্পেশাল কিছু কালারকে ট্র্যাক করতে শুরু করে, আর আপনার কাছে মনে হয়, ডিসপ্লে থেকে পিকচার বুঝি বাইরে বেড় হয়ে আসছে।

তবে থিয়েটারে ব্যবহার করা টেকনোলজি কিন্তু আলাদা টাইপের হয়ে থাকে, ৩ডি টেকনোলজি কিভাবে কাজ করে এই নিয়ে লিখে আরেকটি আর্টিকেলে আমি সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করবো কখনো। এখন আজকের আর্টিকেলের মূল বিষয়ে প্রবেশ করা যাক।

টিভি সেটআপ

৩ডি টিভি কেনার আগে আপনাকে চিন্তা করে দেখতে হবে সেটা আপনার বাড়িতে প্লেস করার মতো উপযুক্ত জায়গা আছে তো। আপনি যদি সঠিক দূরত্ব এবং সঠিক পরিবেশে ৩ডি টিভি না সেট করেন, আপনি কখনোই আসল ৩ডি’র মজা উপভোগ করতে পারবেন না। নিশ্চিত করুণ আপনার রুমটি যেমন অন্ধকার হয়, যতোবেশি অন্ধকার হবে, ততো ভালো ইফেক্ট পাবেন, তো নিশ্চিত করে নিন, আপনার রুমে আবার বড় বড় জানালা নেই তো। সাথে আপনি টিভি থেকে কতোদূরে বসবেন সেটাও আপনার জানা প্রয়োজনীয়। যদি আপনার টিভি ৫০ ইঞ্চি হয়, তো আপনার এবং টিভি মধ্যের দূরত্ব ৮ ফিট হতে হবে, ৬০ ইঞ্চি টিভি’র ক্ষেত্রে ১০ ফিট দূরত্ব আবশ্যক। কিন্তু তারপরেও আপনাকে ম্যানুয়ালি দূরত্ব বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিশ্চিত করতে হবে আপনার কোন অ্যাঙ্গেলে ভিউ করে বেশি সুবিধা হচ্ছে।

আরেকটি কথা, আপনি হতো আমার উপরের লেখা ৫০-৬০ ইঞ্চি স্ক্রীনের কথা শুনে ভয় পেয়ে গেছেন, আর ভাবছেন, “আরে ভাই, এতোবড় টিভি নিয়ে করবোটা কি?” — দেখুন ৩ডি টিভি তখনোই বেশি মজাদার যখন স্ক্রীন অনেক বড় সাইজের হবে, যদি ছোট সাইজের ৩ডি টিভি কেনার কথা চিন্তা করেন, তো না কেনায় ভালো হবে।

LCD প্যানেল নাকি OLED প্যানেল?

আপনি এলসিডি প্যানেল পছন্দ করবেন, নাকি ওলেড প্যানেল পছন্দ করবেন সেটা সম্পূর্ণই আপনার ব্যাপার, যদিও দুইটিই অনেক ভালো টেকনোলজি। তবে দুই প্যানেলের ক্ষেত্রেই কিছু সুবিধা অসুবিধা রয়েছে, যেটা আপনাকে কন্সিডার করতে হবে। যদি আপনি এলসিডি প্যানেল কিনতে চান, সেক্ষেত্রে অবশ্যই এলসিডি প্যানেল সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত হয়, মানে আপনি অনেক প্রাইজ রেঞ্জের অপশন পেয়ে যাবেন। সাথে অনেক এলসিডি প্যানেল টিভি অনেক ভালো পিকচার কোয়ালিটি প্রদান করে। এলসিডি প্যানেলের সবচাইতে ভালো কথা হচ্ছে, এর দাম অনেক কম।

যদি কথা বলি ওলেড নিয়ে, তো সেটা আপনার দ্বিতীয় পছন্দ হতে পারে। যদি আপনি কোয়ালিটির কথা চিন্তা করেন, সেক্ষেত্রে ওলেড প্যানেল বেস্ট চয়েজ হবে। ওলেড প্যানেলে ডীপ ব্ল্যাক কালার দেখতে পাবেন, যেটা মুভি দেখার সময় ভিন্ন এক্সপেরিয়েন্স এনে দেবে।

সাথে ওলেড প্যানেলের প্রসস্ত কন্ট্র্যাস্ট এবং আরোবেশি স্যাচুরেটেড কালার রয়েছে। কিন্তু ওলেড প্যানেলের একটিই সমস্যা হচ্ছে, এর দাম। আপনার টিভি’র সাইজ অনুসারে এর দাম আরো বেড়ে যাবে। তারপরেও আমি সাজেস্ট করবো, প্যানেল নির্বাচন করার আগে অবশ্যই উভয় টিভি’ই চালিয়ে দেখুন। কেনোনা অনেক সময় পছন্দ আর প্রয়োজনের সামনে টাকার মূল্য থাকে না।

অ্যাকটিভ গ্লাস নাকি প্যাসিভ গ্লাস?

হুম, যেমনটা আগেই বলছি, ৩ডি টিভির সাথে আপনার ৩ডি গ্লাসের (চশমা) প্রয়োজন পড়বে। আর এই চশমা কিন্তু ১০০ টাকার চশমা নয়! এই ক্ষেত্রে আপনি দুইটি অপশন পাবেন, একটি হলো অ্যাকটিভ গ্লাস আরেকটি প্যাসিভ গ্লাস। তবে আপনি কোন টাইপের টিভি কিনেছেন বা আপনার টিভি মডেল কোন টাইপ গ্লাস সমর্থন করে, সেই অনুসারে আপনাকে অ্যাকটিভ গ্লাস বা প্যাসিভ গ্লাস নির্বাচন করতে হবে।

৩ডি গ্লাস

প্যাসিভ গ্লাস গুলো একটু সস্তা হয়ে থাকে, এতে এমন আলাদা কোন টেকনোলজি থাকে না, জাস্ট লাল এবং ব্লু চোখের একটি চশমা। আপনি বাজারে ৫০০-২,০০০ টাকার মধ্যে অনেক প্যাসিভ গ্লাস পেয়ে যাবেন। কিন্তু অ্যাকটিভ গ্লাসের ব্যাপারটা একটু আলাদা, এতে এক্সট্রা ব্যাটারি লাগানো থাকে, আর টিভি’র ৩ডি ইমেজের সাথে গ্লাসের মধ্যে ইমেজ সিঙ্ক হয়। আর এর আলাদা টেকনোলজি হওয়ার কারণে এর দামও একটু বেশি হয়। এক একটি অ্যাকটিভ গ্লাসের মূল্য ৫,০০০-১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

অনেক সময় টিভি’র সাথেই আপনি গ্লাস পেয়ে যেতে পারেন, আবার অনেক সময় আলাদা গ্লাস পারচেজ করতে হতে পারে। আবার টিভি’র কোম্পানি হিসেবে গ্লাস আলাদা হয়ে থাকে। হতে পারে আপনার বন্ধুর সনি টিভি’র গ্লাস আপনার এলজি টিভি’তে সমর্থন করবে না। তাই যদি আলাদা গ্লাস কিনতে হয় অবশ্যই টিভি ব্র্যান্ড ম্যাচ করেই কিনবেন।

৩ডি সোর্স এবং ৩ডি কনটেন্ট

আপনি ৩ডি টিভি কিনে ফেলেছেন এর মানে কিন্তু এটা নয়, এখন আপনি যেটাই প্লে করবেন সবকিছুই ৩ডি হয়ে যাবে। অবশ্যই যে সোর্স থেকে ভিডিওটি প্লে হচ্ছে, আপনার ডিভিডি বা ব্লু-রে প্লেয়ার সেটাকে ৩ডি সমর্থিত হতে হবে। এবং আপনি যে মুভি বা ভিডিও দেখছেন অবশ্যই সেটা ৩ডি’তে রেকর্ডকৃত হতে হবে। যদি ইন্টারনেট থেকে ভিডিও স্টিম করেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই ইন্টারনেটের কন্টেন্ট’টি ৩ডি’তে হতে হবে। টিভি চ্যানেল ৩ডি এবং আপনার সেট-টপ-বক্স ৩ডি সমর্থন না করলে ৩ডি উপভোগ করতে পারবেন না।

আবার ধরুন, আপনার কাছে ভালো ৩ডি টিভি রয়েছে, ৩ডি সমর্থিত ব্লু-রে ডিস্ক প্লেয়ার রয়েছে, অথবা স্যাটেলাইট ৩ডি সেট-টপ-বক্স রয়েছে-কিন্তু কন্টেন্ট যদি ভালো না হয় বা ৩ডি না হয় সেক্ষেত্রে কখনোই আসল ৩ডি’র মজা পাওয়া যাবে না। অবশ্যই আপনাকে ৩ডি মুভি ডিস্ক কিনতে হবে বা ইন্টারনেট থেকে ৩ডি’তে এনকোড করা মুভি ফাইল ডাউনলোড করতে হবে। আজকাল সফটওয়্যারের সাহায্যে ২ডি কন্টেন্ট কেউ ৩ডি’তে এনকোড করা যায়। কিন্তু সেরকম হলে কিন্তু হবে না। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে কন্টেন্ট’টি অফিশিয়ালি ৩ডি’তে রেকর্ড করা এবং এনকোড করা কিনা।

৩ডি টিভির সুবিধা

৩ডি একটি অসাধারণ প্রযুক্তি এই ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই, অ্যান্ড আপনারও না থাকার কথা। ৩ডি মুভিজ, গেমস, ভিডিওস দেখার মজাই আলাদা। এমনকি পিসি থেকে ৩ডি’তে গেমিং করলে এক আরেক ধরণের এক্সপেরিএন্স হবে। তবে আগেই বলেছি অ্যান্ড আবারো বলছি, শুধু বড় স্ক্রীনেই ৩ডি’র আসল মজা পাওয়া সম্ভব। সাথে আপনি একটি ৩ডি টিভি কিনেছেন নামে এর সাথে বিল্ডইন একটি ২ডি টিভিও রয়েছে। যদি ৩ডি দেখতে না ইচ্ছা করে জাস্ট অফ করে দিন, সাথে সাথে আপনার টিভি একটি অসাধারণ ২ডি টিভি’তে পরিনত হয়ে যাবে। ৩ডি টিভি’তে যেহেতু এক্সট্রা ইমেজ প্রসেসিং সিস্টেম থাকে, তাই এটি সাধারণ ২ডি টিভি থেকে বেশি ভালো ২ডি ইমেজ তৈরি করতে পারে। আপনি অসাধারণ কন্ট্র্যাস্ট, কালার গভীরতা, ডীপ ব্ল্যাক এই ফিল গুলো পাবেন।

৩ডি টিভির সুবিধা

কিছু টিভি’তে তো আবার রিয়ালটাইম ২ডি থেকে ৩ডি’তে কনভারসেশন সিস্টেম রয়েছে। আপনি যেকোনো ২ডি কনটেন্ট’কে ভার্চুয়ালি ৩ডি’তে কনভার্ট করে দেখতে পাবেন। যদিও এতে অরিজিনাল ফিল পাবেন না তেমন একটা, কিন্তু তারপরেও যেকোনো কনটেন্ট তো ৩ডি হচ্ছে তাই না?

৩ডি টিভির অসুবিধা

৩ডি টিভি’র প্রধান অসুবিধা হলো অনেকেই ৩ডি পছন্দ করে না। যতোই সবকিছু ৩ডি হোক, আপনার টিভি ৩ডি, সোর্স ৩ডি, কনটেন্ট ৩ডি – কিন্তু তারপরেও সেটা রিয়াল ওয়ার্ডের মতো এক্সপেরিয়েন্স কখনোই দিতে পারবে না। ভার্চুয়াল তো ভার্চুয়ালই তাই না। সাথে অনেকে ৩ডি’কে ঝামেলা মনে করে। একে তো টিভি লাগবে ৩ডি, তারপরে আবার ব্লু-রে ডিস্ক প্লেয়ার কিনতে হবে বা হোম থিয়েটার সিস্টেম রিপ্লেস করতে হতে পারে। সাথে ৩ডি কনটেন্ট না থাকলে, সবকিছুই বেকার। ৩ডি গ্লাসের কথা চিন্তা করতে গেলে, সেটা আরেকটা বিরক্তির কারণ হতে পারে। অনেকে এই গ্লাস গুলো পরে থাকতেই বিরক্ত বোধ করেন। অনেক গ্লাস পড়ে থাকার জন্য তেমন আরামদায়ক হয়না। আপনি যদি কম টাকার গ্লাস কেনেন আর সেটাকে অনেকক্ষণ ধরে পরিধান করে থাকেন, হতে পারে আপনি অস্বস্তি বোধ করবেন।

৩ডি টিভি’র আরেকটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে এই টিভি গুলোকে অনেক বেশি দামী হয়ে থাকে। এই দামের মধ্যে অনেক বড় ফুল এইচডি বা ৪কে টিভি পেয়ে যাবেন, যেটার ফিচার এবং কালার কোয়ালিটি অনেক ভালো হবে। সাথে এতোটাকা খরচ করে টিভি কিনেই বা ব্লু-রে প্লেয়ার কিনেই কি হবে? – কেনোনা ৩ডি কনটেন্টের অনেক অভাব রয়েছে। যেকোনো মুভি আপনি ১০৮০পি’তে পেয়ে যাবেন, কিন্তু ৩ডি কনটেন্টের সংখ্যা কেবল হাতে গোনা।

আপনি যদি একজন টেকী পার্সন হোন, আর একবার মনস্থির করেই ফেলেন, আপনি ৩ডি উপভোগ করবেন, তো কোন অসুবিধাই আপনাকে আটকাতে পারবে না, জানি! তবে উপরের বিষয় গুলো অবশ্যই মনে রাখা প্রয়োজনীয়, কেনোনা এতে আপনি কতোটুকু এক্সপেরিয়েন্স করতে পারবেন সেটা নির্ভর করে।

আশা করছি, আর্টিকেলটি আপনাকে অত্যন্ত সাহায্য করবে, কেনোনা এখানে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোকে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনার যেকোনো মতামত বা প্রশ্নে আমাকে নিচে কমেন্ট করতে পারেন।

ইমেজ ক্রেডিট; By Andrey_Popov Via Shutterstock | Pixabay.Com

Posted by তাহমিদ বোরহান

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

3 Comments

  1. খুবই ভালো মানের কন্টেন্ট। ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।

    Reply

  2. অনেক উপকারি পোস্ট ভাই। অনেক তত্তথে ভরপুর বটে।

    Reply

  3. Very nice article. Love u boss

    Reply

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *